সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

  • আপলোড সময় : ২৯-০৩-২০২৬ ১২:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০৩-২০২৬ ১২:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন
নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা নিন
পবিত্র ঈদুল ফিতর - আনন্দ, মিলন ও ঘরে ফেরার উৎসব। অথচ এই আনন্দযাত্রাই প্রতি বছর রূপ নেয় এক নির্মম মৃত্যুযাত্রায়। এবারের ঈদকে ঘিরে ১০ দিনে ২৭৪ প্রাণহানির ঘটনা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনার গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি। প্রতিটি দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে একটি করে পরিবার, একটি করে স্বপ্ন, একটি করে ভবিষ্যৎ। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ কিংবা রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় বাসডুবির মতো মর্মান্তিক ঘটনাগুলো পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- এই নাড়িয়ে দেওয়া অনুভূতি কি আমাদের নীতিনির্ধারণে কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারছে? বাস্তবতা হলো, সড়ক দুর্ঘটনা আমাদের দেশে একটি ‘নিয়মিত বিপর্যয়’-এ পরিণত হয়েছে। চালকদের বেপরোয়া গতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, লাইসেন্সবিহীন ড্রাইভিং - এসব বহুদিনের চেনা সমস্যা। তবুও কার্যকর প্রতিকার দৃশ্যমান নয়। আইন আছে, প্রয়োগ নেই; তদারকি আছে, জবাবদিহিতা নেই। ফলে প্রতিটি ঈদেই একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটে। সড়ক ব্যবস্থাপনার এই দুর্বলতা কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, এটি আমাদের সামগ্রিক দায়িত্ববোধেরও সংকট। পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের অরাজকতা, যাত্রীদের অসচেতনতা, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা - সব মিলিয়ে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এখনই কঠোর ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। প্রথমত, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, লাইসেন্স ছাড়া কোনো চালককে সড়কে নামতে দেওয়া যাবে না। তৃতীয়ত, মহাসড়কে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি প্রয়োগে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া চলবে না। সবচেয়ে বড় কথা, সড়ককে নিরাপদ করতে হলে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সমন্বিত উদ্যোগ। শুধু দুর্ঘটনার পর শোক প্রকাশ নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণই হতে হবে প্রধান অগ্রাধিকার। ঈদের আনন্দ যেন আর কোনো মায়ের চোখের জল না হয়ে ওঠে - এই প্রত্যাশাই আজ সময়ের দাবি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স